আজ নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৮ম মৃত্যু বার্ষিকী

আজ নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৮ম মৃত্যু বার্ষিকী

বিনোদন ডেস্কঃ নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ যিনি এক অর্থে জাদুকর ছিলেন। তবে তিনি জাদু দেখিয়েছেন কথার, শব্দের আর নির্মাণের। সেই জাদুতে মুন্ধ হয়েছে গোটা প্রজন্ম। তবে শ্রাবণের সেইসব মেঘগুলো একে একে জড়ো হয়ে বৃষ্টি ঝরেছে ২০১২ সালের ১৯ জুলাই। সেই হিসাবে হুমায়ূন আহমেদ বিহীন শহরে আজ অষ্টম শ্রাবণ। ২০১২ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান বহুপ্রতিভার অধিকারী এই মানুষটি।
প্রতি বছর নানা আয়োজনে এই কিংবদন্তির মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হলেও এবার করোনার কারণে তা হচ্ছে স্বল্প পরিসরে। তার জন্মস্থান নেত্রকোনা এবং নুহাশপল্লী ছাড়াও দেশের টিভি চ্যানেলগুলো দিনকে ঘিরে আয়োজন করেছে নানা অনুষ্ঠানের।
১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে জন্ম নেওয়া হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও ছিলেন সমাদৃত।
টেলিভিশনের জন্য একের পর এক দর্শকনন্দিত নাটক রচনা ও পরিচালনার পাশাপাশি ১৯৯৪ সালে হুমায়ূন আহমেদ চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন। তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘আগুনের পরশমণি’। চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সহ আটটি পুরস্কার লাভ করে। তার নির্মিত অন্যান্য সমাদৃত চলচ্চিত্রগুলো হলো শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯), দুই দুয়ারী (২০০০), শ্যামল ছায়া (২০০৪), ও ঘেটু পুত্র কমলা (২০১২)।
হুমায়ূন আহমেদের নির্মাণে চলচ্চিত্রগুলো সর্ব সাধারণ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন হ‌ুমায়ূন আহমেদ। তার সব চলচ্চিত্রের বেশিরভাগ গান রচনা করেছেন তিনি নিজেই। সে সব গানও পেয়েছে তুমুল জনপ্রিয়তা।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *