কবি ও শিশু সাহিত্যিক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান কে সাহিত্য ও গুণীজন সম্মাননা ক্রেচ প্রদান

বেকার নারীদের রুপবিশারদ বিষয়ক প্রশিক্ষণ শেষে সনদপত্র প্রদান

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: বিচারপতি এস, এম মুজিবুর রহমান সাহিত্য সম্মাননা পেলেন রংপুরের পীরগঞ্জের কৃতি সন্তান কবি ও শিশুসাহিত্যিক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমান সম্ভাবনাময়ী তরুণ কবি ও সাহিত্যিকদের স্বীকৃতি স্বরুপ এ সম্মাননা প্রদান করেন। ওই দিন শনিবার কাটাবন গ্লোরিয়াস হোটেলের তিন তলায় স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ সময় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা গুণীজন লেখক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে হোটেল গ্লোরিয়াসের তিন তলা। অনুষ্ঠানে আগত কবিদের উৎসাহ দেয়ার জন্য বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান বলেন- এটা আমার নিজস্ব আয়োজন, তরুণ লেখকদের উৎসাহ দেয়াই একমাত্র উদ্দেশ্য । তাই যারা লেখালেখি করছে তাদের উৎসাহ উদ্দীপনা দিয়ে ভালো লেখক হওয়ার জন্যই আমার এই প্রচেষ্টা । এ অনুষ্ঠানের রীতি অনুযায়ী বিচারপতি পরিবারের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে কবিকে সম্মাননা প্রদান করেন। মুহাম্মদ মিজানুর রহমান বর্তমান সময়ে তরুণদের মধ্যে একজন উজ্জ্বল ও একনিষ্ঠ সাহিত্যকর্মী। ১৯৮৪ সালের ৯ ফেব্রয়ারি রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার একবারপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মো: বাদশা মন্ডল ও মাতা হামিদা বেগমের সাত সন্তানের মধ্যে তিনি তৃতীয়। মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, স্কুল জীবন থেকে আজবধি বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোতে নিয়মিত লেখালেখি করেন। রংপুর থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক বজ্রকথা পত্রিকার সাহিত্যপাতা “তারার আকাশ” সম্পাদনা করে আসছেন। নিবন্ধিত সংগঠন ‘বাংলাদেশ কবি পরিষদ’ ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন। বর্তমানে তিনি প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি –ঢাকাতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। ২০১৯ একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে তাঁর কবিতার বই “আমার দেশ আমার স্বপ্ন”। মুহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন- সম্মাননা এক রকমের গুণীজনদের নিকট থেকে আর্শীবাদ পাওয়া যা কাজের গতিকে বাড়িয়ে দেয়। ভাল মানুষ হিসেবে বাঁচতে শেখায়। দায়বদ্ধতা বেড়ে যায় এবং দায়িত্বশীল হতে শেখায়। তিনি আরও বলেন এ ধরনের অনুষ্ঠান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তিনি তার বক্তব্যে সম্মানিত বিচারপতি এবং তাঁর পরিবারের শুভকামনা ও দীর্ঘায়ু জীবন কামনা করেন। সাহিত্য সম্মাননা স্মারক অনুষ্ঠানে কবি মুহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ ৪৮ জন কবিকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে ১০ জন কবি তাদের স্বরচিতকবিতা পাঠ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সচিব সানাউল হক। ফটোসেশন, গান এবং নৈশভোজের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *