গাইবান্ধায় ইমেজ প্লাস প্রকল্পের র‌্যালি-আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 

গাইবান্ধায় ইমেজ প্লাস প্রকল্পের র‌্যালি-আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 
গাইবান্ধাঃ নারী দিবস উপলক্ষে ‘প্রজন্ম হোক সমতার সকল নারীর অধিকার’ শ্লোগাণে ৯ মার্চ সোমবার দুপুরে গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে র‌্যালি, আলোচনা সভা, কুইজ প্রতিযোগিতা, চেঞ্জ স্টোরি লেখা প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসকেএস ফাউন্ডেশনের ইমেজ প্লাস প্রকল্পের উদ্যোগে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান। র‌্যালিটি রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর থেকে বের হয়ে বালুয়া বাজার প্রদক্ষিণ করে।
ইমেজ প্লাস প্রকল্পের ম্যানেজার কানিজ হুসনা আফরোজা পলির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, গাইবান্ধা সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ ও সিভিল সোসাইটি ফোরামের আহবায়ক প্রফেসর মো. খলিলুর রহমান, রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা মহিলা পরিষদের সহসভাপতি মায়া রানী পোদ্দার ও কাকলী সাহা, কর্মজীবী নারী জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক অঞ্জলী রানী দেবী, বিবাহিত কিশোরী শাহানা বেগম, তাজনুর বেগম, অবিবাহিত কিশোরী মারুফা আক্তার, রিতু আক্তার ও চেঞ্জমেকার জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকল্পটির ফিল্ড ফ্যাসিলেটেটর হামিদা বানু রিকতা।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নৃত্য ও সংগীত পরিবেশন করেন বিবাহিত কিশোরী, অবিবাহিত কিশোরী, স্পাউজ (স্বামী) ও চেঞ্জমেকাররা। অনুষ্ঠানে বিবাহিত কিশোরী, অবিবাহিত কিশোরী, শাশুড়ী, স্পাউজ (স্বামী) ও চেঞ্জমেকারদের লেখা ও উপস্থাপনায় যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আয়বর্ধনমূলক কাজ এবং নারীর প্রতি সহিংসতারোধ বিষয়ক সচেতনতামূলক নাটিকা ‘বৃষ্টির সংসার’ পরিবেশন করা হয়। শেষে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ১০ জনকে পুরস্কার দেন অতিথিরা। এ ছাড়া ৬০জন চেঞ্জমেকারের লেখা চেঞ্জ স্টোরি প্রতিযোগিতায় সেরা ৩টি চেঞ্জ স্টোরির জন্য ৩জনকে পুরস্কার দেয়া হয়। এতে ৩৬০টি পরিবারের বিবাহিত কিশোরী, বিবাহিত কিশোরীদের স্বামী, শাশুড়ী, অবিবাহিত কিশোরী, স্পাউজ ও চেঞ্জমেকারসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবসময় চেয়েছেন নারীদের এগিয়ে নিতে। তার শতবর্ষ জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও নারীদের পথচলার প্রেরণাকে সামনে রেখে এই আয়োজনকে সাধুবাদ জানান বক্তারা। বক্তারা আরও বলেন, সমতা শুরু হোক পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে। নারীবান্ধব কর্মক্ষেত্র তৈরিতে সবাইকে একসাথে কাজ করে যেতে হবে। সকল নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হবে সমাজে। প্রত্যেক নারীই কর্মজীবী নারী। কৃষি কাজসহ সকল কাজে নারীদের প্রতি মজুরী বৈষম্য দূর করতে হবে। নারীদের গৃহস্থালীর সেবামূলক কাজের মূল্যায়ন ও পুরুষের অংশগ্রহন নিশ্চিতে সকলকে কাজ করার আহবান জানান বক্তারা।
Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *