ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ঢাকার সঞ্চয় ১৮০ রান

ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ঢাকার সঞ্চয় ১৮০ রান

প্রথম ম্যাচে ঢাকা প্লাটুন বড় ব্যবধানে হেরেছিল। তামিম ইকবাল আউট হয়েছিলেন শুরুতেই, ৫ রানে। ম্যাচ শেষে ঢাকার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার দুটি বাক্য বেশ স্পষ্টভাবেই শোনা গেল-এই হার নিয়ে এখনই বড় কোনো আলোচনায় বসার প্রয়োজন নেই। আর তামিম ইকবাল জানে কিভাবে ফিরে আসতে হয়।

তামিম ইকবাল তার ফিরে আসতে বেশি সময় নিলেন না। বঙ্গবন্ধু বিপিএলে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন তামিম ইকবাল। ৪ ছক্কা ও ৬ বাউন্ডারিতে ৫৩ বলে ৭৪ রান করে তামিম জানিয়ে দিলেন এবারের বিপিএলের জন্য শুরু থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন তিনি। তামিমের দ্রুতগতির হাফসেঞ্চুরি আর তিসারা পেরেইরার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ঢাকা প্লাটুন সত্যিকার অর্থেই মাঠ কাঁপিয়ে স্কোরবোর্ডে ২০ ওভারে জমা তুলল ৭ উইকেটে ১৮০ রান।আগের দিন নিজেদের প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে ঢাকা কাঁপছিল। আর ২৪ ঘন্টার মধ্যেই পরের ম্যাচে প্রতিপক্ষের বোলারদের কাঁপুনি বাড়িয়ে দিল তারা!

তামিম ইকবাল ও তিসারা পেরেইরার জুটিতে একসময় মনে হচ্ছিল ঢাকার স্কোর ২০০’র কোটায় পৌঁছে যাবে। কিন্তু তামিমের ৭৪ রানে আউটের সঙ্গে সঙ্গে তিনটি উইকেট হারিয়ে ফেলে ঢাকা। শহীদ আফ্রিদি ব্যাট হাতে আরেক দফা ব্যর্থ। সৌম্য সরকার এক ওভারে আফ্রিদিকে ৪ রানে এবং ওয়াহাব রিয়াজকে ০ রানে ফেরালেন।

তবে ব্যাট হাতে ঠিকই শেষ পর্যন্ত কাঁপিয়ে গেলেন তিসারা পেরেইরা। মাত্র ১৭ বলে এই শ্রীলঙ্কান তুললেন হার না মানা ৪২ রান। ১ ছক্কা ও ৭ বাউন্ডারিতে মিরপুরে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বোলারদের বলের সুতো খুলে দেন পেরেইরা। অবশ্য এই তালিকায় ব্যতিক্রম ছিলেন মুজিব-উর-রহমান ও আল-আমিন হোসেন। কুমিল্লার এই দুই বোলারই ম্যাচে যা একটু সম্মান পান। মুজিব ৪ ওভারে ১৫ রানে ১ উইকেট পান। আল-আমিন উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে খরচ করেন ২৯ রান।

ইনিংসের প্রথম বলেই ঢাকা তাদের ওপেনার এনামুল হক বিজয়কে শূন্য রানে হারায়। কিন্তু সেই দলই শেষ পর্যন্ত তুলল ১৮০ রান। চলতি টুর্নামেন্টে এটাই যে কোনো দলের সর্বোচ্চ স্কোর। শেষের পাঁচ ওভারে ঢাকা মেরে কেটে ব্যাট চালিয়ে তুলে নেয় ৪৭ রান।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *