দিনাজপুর পার্বতীপুরে চার বছর হতে দু’জন শিক্ষক দিয়ে চলছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

খন্দকার এইচ আর হাবিব. বিশেষ প্রতিনিধি॥ দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার মৌলভীর ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলমান শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিম্নতম ৩ জন শিক্ষক শুন্য পদে নিয়োগ দিয়ে শিক্ষক সংকট নিরশনে দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের হস্তক্ষেপ দাবী করেছেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় এলাকার অভিভাবক গন। কারন চার বছর হতে দু’জন শিক্ষক দিয়েই চলছে ৬টি শ্রেণির ২৫১ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান। এতে করে চরম ভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক পাঠদান প্রক্রিয়া। শক্ষিা বভিাগরে দ্বায়ত্বিশীল র্কমর্কতাদরে কে বষিয়টি বারংবার অবহতি করা সত্বওে তাদরে উদাসনিতা ও দ্বায়ত্বি হীনতার কারণে মটেনেি শক্ষিক সংকট। বিদ্যালয় সূত্রে সরেজমিনে জানা গেছে, ৫ পদের এই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এবং এক জন সহকারী শিক্ষক কর্মরত আছেন। ইতিপূর্বে ৪ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও দায়িত্বে অবহেলা স্বেচ্ছাচারিতা ও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ায় এবং তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বগিত ১৬ মার্চ/১৭ইং তাদেরকে প্রশাসনিক বদলি করা হয়। দু’জন শিক্ষক দিয়ে ২৫১ জন শিক্ষার্থীর প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি হতে পঞ্চম শ্রেণির পাঠদান চলমান আছে। প্রধান শিক্ষককে প্রায় সময় প্রশাসনিক কাজে উপজেলা সদরে গমন, বিভিন্ন প্রশিক্ষন গ্রহনের ফলে একজন শিক্ষককে গোটা বিদ্যালয় সামলাতে হয়। প্রধান শিক্ষক খন্দকার হাবিবুর রহমান বলেন, প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে শিক্ষক স্বল্পতা যা ইতি মধ্যে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বারংবার অবহিত করা হয়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। র্পাশ্বর্বতী যসেব বদ্যিালয়ে শক্ষর্িাথী অনুপাতে শক্ষিক বশেি সখোন হতে শক্ষিক সমন্বয় করার অনুরোধওে কাজে আসনে।ি অফিসিয়াল কাজ, উপবৃত্তি, শিশু জরিপ, স্কুল ফিডিং কর্মসূচীর বিস্কুটের হিসাব প্রতিদিন হালফিল, সমন্বয় সভা সহ ৬ টি শ্রেণির পাঠদান সামলানো খুব কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সহকারী শিক্ষা অফিসার আল-সিরাজ জানান, বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী সংখ্যা অনেক মাত্র দু’জন শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয় চালানো অসম্ভব। শিক্ষক সংকট নিরসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন। দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চীেধুরী জানান, বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক স্বল্পতা কর্তৃপক্ষের নজরে আছে। র্পাবতীপুর উপজলো শক্ষিা অফসিার মোঃ মোস্তাফজিুর রহমান ওই বদ্যিালয়ে শক্ষিক সংকটরে কথা স্বীকার করে বলনে, ইচ্ছা থাকা সত্বওে নরিুপায় তবে যেহেতু পার্বতীপুরে ১২৭ জন নতুন শক্ষিক নয়িোগ হয়েছে এবং শূন্য পদের তালিকায় সর্বাঙ্গে বিদ্যালয়টির নাম পাঠানো হয়েছে, আমি দৃঢ় আশাবাদী ২/১ দিনের মধ্যে শিক্ষক পদায়ন হলে জেলা শিক্ষা অফিসার গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি আমলে নিবেন। বদ্যিালয়রে সভাপতি ও ইউনয়িন চয়োরম্যান মোঃ মাসুদুর রহমান শাহ্ মাসুদ বলনে শক্ষিক সংকট নয়িে ৪ বছর হতে বদ্যিালয়টি যভোবে এগয়িে চলছে এজন্য উদ্ধতন র্কমর্কতা গনের উদাসীনতাই দায়ী।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *