না ফেরার দেশে কিংবদন্তী ফুটবলার পিকে

না ফেরার দেশে কিংবদন্তী ফুটবলার পিকে

না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন ভারতের কিংবদন্তি ফুটবলার ও কোচ পিকে বন্দ্যোপধ্যায়। বুকের সংক্রমণ নিয়ে মাস দেড়েক ধরে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সোমবার (১৬ মার্চ) চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, সাড়া দিচ্ছেন না তিনি। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) হাসপাতাল থেকেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।বাংলাদেশ সময় বেলা আড়াইটায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে কিংবদন্তি ফুটবলারের বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। পশ্চিমবঙ্গের এই ফুটবলারের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ভারতীয় ফুটবল অঙ্গনে।ভারতের হয়ে তার অর্জন ছিল ঈর্ষণীয়। ৪৫ ম্যাচ খেলে ১৪ গোল করার পথে ১৯৬২ সালের জাকার্তা এশিয়াডে ভারতকে সোনা জেতান পিকে। ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৬৬ সালে ভারতের হয়ে এশিয়াড খেলেছেন তিনি। ঘরোয়া ফুটবলে তিনি ছিলেন অপ্রতিরোধ্য।কলকাতার ফুটবলকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যান পিকে। অনন্য অর্জনের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি  ১৯৬১ সালে অর্জুনা ও ১৯৯৪ সালে পদ্মশ্রী পুরস্কার জেতেন ।পরবর্তীতে ফুটবল ছেড়ে কোচিংকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। কোচিংয়েও নিজেকে কিংবদন্তি ক্যাটেগরিতে নিয়ে গেছেন পিকে। আইএফএ শিল্ড, রোভার্স কাপ, ডুরান্ড কাপ জিতে মোহনবাগানকে ত্রিমুকুট এনে দেন তিনি। ২০০৪ সালে ফিফার সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘ফিফা অর্ডার অব মেরিট’ জেতেন তিনি।১৯৩৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলায় জন্ম নেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার। পারিবারিক নাম ছিল প্রদীপ কুমার বন্দোপাধ্যায়। তবে ফুটবলবিশ্বে  তিনি পরিচিত পান পিকে ব্যানার্জি নামে।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *