পলাশবাড়ীতে ড্রামসীটের ইটভাটাগুলোতে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ

পলাশবাড়ীতে ড্রামসীটের ইটভাটাগুলোতে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা ঃ অল্প উচ্চতার ড্রামসীটের চিমনির ধোঁয়ায় পরিবেশ ধুষিত হয় বলে বেশি উচ্চতার ইটের চিমনি বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। কিন্তু সরকারের এ নিয়মনীতি উপেক্ষা করে পলাশবাড়ীর অনেক ইটভাটার মালিক এ আদেশ মানছে না। এখনও অল্প উচ্চতার ড্রামসীটের এবং ইটের চিমনি ব্যবহার হচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। ফলে কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ বিপন্ন হয়ে পড়ছে। পলাশবাড়ীতে প্রতিবছরই ইটভাটার সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু এসব ভাটা স্থাপনে লাইসেন্স গ্রহণের কথা থাকলেও ইটভাটা মালিকেরা আমলে নিচ্ছে না।

সরকারি নীতিমালা অনুযায়ি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ইটভাটা স্থাপনের লাইসেন্স প্রদান করে থাকেন। এক্ষেত্রে পরিত্যক্ত অনাবাদি জমি, নিচু জলাশয়ের ধারে, নদীর পাশে এবং কমপক্ষে চারদিকে ১ কি.মি. জনশূন্য এলাকায় ইটভাটা স্থাপনের অনুমোদন দেয়ার কথা। কিন্তু গাইবান্ধার কোন ইটভাটা মালিকই এসব শর্ত মানছে না। আর যেসব ইটভাটা চালু রয়েছে তার অধিকাংশ মালিকই জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে কোন লাইসেন্স গ্রহণ না করেই বছরের পর বছর ইটভাটা চালিয়ে যাচ্ছে।
পলাশবাড়ি উপজেলার ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এফ জে ব্রিকস্ এর মালিক মুকুল সরকার জানান, এ উপজেলায় প্রায় ৪১টি ইটভাটা গড়ে উঠেছে। এরমধ্যে লাইসেন্স রয়েছে তার ইটভাটাটিসহ মাত্র দুটির। তিনি বলেন, কিভাবে লাইসেন্স বিহীন ইটভাটা বছরের পর বছর এভাবে চলতে পারে তা তার জানা নেই।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *