পলাশবাড়ীতে মাদ্রাসার শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় এজাহার দাখিল

গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে মাদ্রাসার শিক্ষক কর্তৃক একই প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে।
এজাহার ও প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্র জানায়,উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের পবনাপুর(দনিপাড়া)আদর্শ নুরানী তা’য়ালিমুল হাফিজিয়া মাদ্রাাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের মৌলভী শিক্ষক বায়োজিদ মিয়া(২২)।একই মাদ্রাসায় কুরআন হাফেজা পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে দিনের পর দিন প্রেম নিবেদনসহ বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল।বিভিন্ন সময় দেয়া কূপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় লম্পট শিক্ষক নানা কৌশলে ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের সুযোগ খুঁজতে থাকে।এক পর্যায় লেখাপড়ার স্বার্থে ওই শিক্ষার্থী এসব মুখ বুজে এড়িয়ে যেতে থাকে।নাছোর লম্পট শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীকে বিয়েসহ নানা প্রলোভনে তার স্বীয় স্বার্থ চরিতার্থ ধর্ষণের চেষ্টা অব্যাহত রাখে।এরই ধারাবাহিকতায় অন্যান্য দিনের ন্যায় গত ১২ অক্টোবর সন্ধা ৭টার দিকে ওই মেয়ে মাদ্রাসায় কুরআন পড়তে আসে।লম্পট শিক্ষক বায়োজীদ মনোযোগসহ পড়ার কৌশল খাটিয়ে তাকে তার শয়ন ঘরে ডেকে নেন।এসময় ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক দৈহিক মেলামেশার চেষ্টা করার প্রাক্কালে অসহায় ওই শিক্ষার্থী তার রাহুগ্রাস থেকে কোনরকমে শয়ন ঘর থেকে বেরিয়ে স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে আত্মচিৎকার দেয়। ঘটনার আকস্মিকতায় আশ-পাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুঁটে এসে লম্পটের কবল থেকে তাকে উদ্ধারসহ শিক্ষক বায়োজিদকে হাতেনাতে আটক করে।পরবর্তীতে বিষয়টি শান্তিপূর্ণ ভাবে সুরহার জন্য  বায়েজিদকে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট সোপর্দ  করা হয়।চেয়ারম্যান ঘটনার বিষয়টি তাৎক্ষনিক পর্যালোচনা করে বিভিন্ন শর্তসাপেক্ষ ওই রাতেই লম্পট শিক্ষক বায়োজিদকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।বায়োজিদ বিবাহ বন্ধনে রাজি হলে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এদিকে সুযোগবুঝে ওইরাতেই মাদ্রাসা ক্যাম্পাস ছেড়ে শিক্ষক বায়োজিদ পালিয়ে অন্যত্র গা-ঢাকা দেয়।সে পার্শ্ববর্তী গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের পাটোয়া গ্রামের সৈয়দজ্জামানের ছেলে বলে জানা যায়।নিরুপায় শিক্ষার্থী কোন উপায়ন্তর না পেয়ে সুষ্ঠু বিচার প্রার্থনা করে বাদী হয়ে শিক্ষক বায়েজিদ এবং ওই মাদ্রাসার পরিচালক মাহামুদুল মিয়াকে বিবাদী করে এব্যাপারে থানায় একটি এজাহার দাখিল করেছেন।এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দাখিলকৃত এজাহারটি মামলা হিসেবে রুজু হয়েছে কি-না তা জানা যায়নি।
Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *