পার্বতীপুরে পোকার আক্রমনে বিপর্যয়ের কবলে সুগন্ধি জিরা কাটারি ধানের উৎপাদন

পার্বতীপুরে পোকার আক্রমনে বিপর্যয়ের কবলে সুগন্ধি জিরা কাটারি ধানের উৎপাদন

আল মামুন মিলন, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে পোকার আক্রমনে বিপর্যয়ের কবলে পড়েছে সুগন্ধি ব্রী ধান ৩৪ জিরা কাটারির উৎপাদন। ফসলের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে পোকার আক্রমনে সাদা হয়ে গেছে অধিকাংশ জিরা কাঠারি ফসলের মাঠ। এসব দমনে দফায় দফায় ওষুধ প্রয়োগ করেও কাজ হয়নি কৃষকদের। ওষুধ ব্যবসায়ীদের নি মানের কিটনাশক সরবরাহ, কৃষি অফিসের মাঠপর্যায়ে পর্যবেক্ষন এবং দিক নির্দেশনার অভাবকেই দায়ী করছেন অনেকেই। তবে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ভাল উৎপাদনের লক্ষে মাঠ পর্যায়ে তাদের ইতিবাচক কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরেন। পার্বতীপুর কৃষি অফিসের তথ্যঅনুযায়ী উপজেলায় এবার ২৮ হাজার ৩শ৫০ হেক্টর জমিতে আমন উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে সুগন্ধি ব্রি ধান ৩৪ জিরা কাঠারি রয়েছে ১৭ হাজার ৩শ৪৫ হেক্টর।
দেখা গেছে, উৎপাদনের শুরুতে অনুকুল আবহাওয়া পর্যাপত পানি ও উৎপাদনের বিভিন্ন উপকরন সরবরাহ পাওয়ায় বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখে এ অঞ্চলের কৃষক। উৎপাদনের মাঝামাঝি সময়ে পোকার আক্রমনের কবলে পড়ে আমনের মাঠ। দফায় দফায় কিটনাশক প্রয়োগ করেও শেষ পর্যন্ত কাংখিত ফল পায়নি তারা। উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের সিংগীমারী গ্রামের কৃষক ফয়জার রহমান পোকার আক্রমনের কারনে তার দেড় একর জমির অধ্যেক উৎপাদন ঘরে তুলতে না পারার শংকার কথা জানিয়েছেন। বেলাইচন্ডি ইউনিয়নের ডাংগাপাড়া গ্রামের কৃষক আবুল হোসেন তিনি এসেছিলেন তার জিরা কাঠারির জমিতে। রোগে ফসলের বেগতিক অবস্থা দেখে ধান কাটার মনোবল হারিয়ে ফেলেন তিনি।
পার্বতীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুজ্জামান জানান, আমন উৎপাদনের শেষ মুহুর্তে ব্লাষ্টর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় উৎপাদন কিছুটা কমে আসবে। তবে জমিতে পোকার আক্রমন ঠেকাতে আমাদের পরামর্শ ও চেষ্টার কমাতি ছিলনা।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *