প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত হরিপুরের শিল্পীরা

প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত হরিপুরের শিল্পীরা

জে.ইতি হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ
আর কয়েকদিন পরেই হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হতে যাচ্ছে। আর এই পূজাকে ঘিরে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মন্দিগুলোতে চলছে প্রতিমা তৈরির ধুম। ফলে ব্যস্ত সময় পার করছে প্রতিমা শিল্পীরা। উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি ও বীরগঞ্জ সর্বজননী দূর্গা মন্ডবের পূজারী শ্রীঃ গজেন চন্দ্র রায় আমাদের প্রতিবেদককে জানান, এবছর দুর্গা দেবী ঘটক এসে ঘটক চলে যাবেন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ‘মহালয়া’ র মাধ্যমে দুর্গা পূজার আনূষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। আগামী ৪ অক্টোবর ষষ্টী পূজার মাধ্যমে দুর্গোৎসবের মূল পূজা শুরু হয়ে শেষ হবে ৯ অক্টোবর।
হরিপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, এবছর হরিপুর উপজেলায় ২৪ টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
এর মধ্যে ১নং গেদুড়া ইউনিয়নে-২, ২নং আমগাঁও ইউনিয়নে-৬, ৩নং বকুয়া ইউনিয়নে-২, ৪নং ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়নে-৬, ৫নং হরিপুর সদর ইউনিয়নে-৪, ৬নং ভাতুরিয়া ইউনিয়নে-৪ টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজার সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রতিমা কারিগরদের শেষ সময়ের ব্যস্ততা। দম নেয়ারও ফুসরত নেই তাদের। দিন-রাত চলছে পূজা মন্দিরে মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরি ও সাজসজ্জার কাজ।
উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ঘুরে দেখা গেছে। প্রতিমা তৈরি শিল্পীদের ব্যস্ততার চিত্র। প্রতিমা শিল্পীদের নিপুণ আঁচড়ে তৈরি করা হচ্ছে এক একটি প্রতিমা।
নিজ সন্তানের মতো অতি ভালোবাসায় তৈরি করা হচ্ছে দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী, কার্তিক, গণেশ, অসুর ও শিবের মূর্তি।
প্রতিমার আকার ও শৈল্পীক গঠন অনুযায়ী প্রতিমা শিল্পীরা ২০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।
হরিপুর থানা অফিসার ইনচার্জ আমিরুজ্জান জানান, শারদীয় দুর্গাপূজার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নিয়োজিত থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *