ভীষণ জ্বর- মেরিন নাজনীন

ভীষণ জ্বর৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷ ৷মেরিন নাজনীন।

একটু হাতটা দাওতো
কেন?
উষ্ণতা নেবো,ভীষণ শীত করছে।
না দেবো না, ঠান্ডা লাগবে।

একটু গালটা দাওতো
কেনো?
গালে গাল ঠেকিয়ে আদর নিবো।
পাগল ! একটা তোমার জ্বর আসবে
হুম্মম পাগলামির আর দেখলে কি

একটু পা টা দাওনা
কেন?
পায়ে পা পেঁচিয়ে সাপের
মতো ভালোবাসবো বলে, উফফফ ভারী
জালাতন করো।

একটু পেটটা ধরি?
না,না একদম না
কেন??
আজ আমার ভীষণ জ্বর,
মানে?
কাতুকুতু।
ইশশ ব্যঙের আবার সর্দি।

এসো মাথায় জল ঢেলে
জর নামাই।
জল ওরে বাবা, বরফ
ঢালছো কেন?
তোমায় সুস্থ করে
গোধূলির সূর্যাস্ত দেখবো
তাই।

তুমি এতো জালাও কেন আমায়?
তুমি একটা গুন্ডা?
তুমি একটা ডাকাত?

ভালোবাসার কতো নাম
থাকে বউদের।
আমি নাহয়
গুন্ডা,ডাকাত, পাগলী
হয়েই রইলাম।
এই যুগে ভদ্রমহিলাদের
জামাই আর জামাই
থাকেনা।

কি থাকে তাহলে?
আপাদমস্তক মুখোশধারী
ভেজাবেড়াল।

উফ তুমি না এলে
জীবনের ষোলআনাই
মিছে হতো।
কেন?
কি করে এইটুকুন একটা
মানুষ সবাইকে তটস্থ
রাখতে পারে তা জানাই
হতোনা।
মানে?
এই যে মেপে মেপে কি
কোরে নিঃশব্দে নিঃশ্বাস
নিতে হয়, এতো তোমারই
শিক্ষা।
ও তাই?
হুমম।

তাহলে আমি চলে যাই
তুমি দিবানন্দে পেট
ফুলিয়ে নিঃশ্বাস নাও।
ওরে গুন্ডা, তুমি ছাড়া যে
আমি নিঃশ্বাস নিতে ভুলে
যাই।তোমার চুলের ঘ্রাণে
আমি অক্সিজেন পাই।
তুমি ছাড়া এই ঘরের
মশারাও আজ কথা
শুনেনা।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *