শফিকুল হত্যার অগ্রগতি না হওয়ায় পরিবার হতাশ এক বছরের মোটিভ ও ক্লু উদ্ধার হয়নি

শফিকুল হত্যার অগ্রগতি না হওয়ায় পরিবার হতাশ এক বছরের মোটিভ ও ক্লু উদ্ধার হয়নি

ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম (৩৯) হত্যার অগ্রগতি না হওয়ায় তার পরিবার হতাশ হয়ে পড়েছেন। পুলিশের কাছ থেকে মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর হয়েছে। কোন হত্যাকারী গ্রেফতার বা সনাক্ত হয়নি। এজাহারভুক্ত একমাত্র আসামী শহরের কাঞ্চনপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে রফিকুল ইসলাম জামিনে মুক্ত। অথচ অন্যান্য আসামীরা আজো ধরাছোয়ার বাইরে। মামলার বাদী নিহতর বোন মহবুবা জামান খালেদা গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে ভাই হত্যার দ্রুত বিচার ও ঘাতকদের গ্রেফতারের দাবীতে এই আকুতি জানান। তিনি জানান, গত বছরের ৩ অক্টোবর ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কের লাউদিয়া এলাকায় শফিকুলকে হত্যা করা হয়। তার আগে ঘাতকরা মোবাইলে শফিকুলকে ডেকে নেয়। এখনো পর্যন্ত মোবাইল ট্রাকিংয়ের কোন খবর তাদেরকে পুলিশ বা সিআইডি জানায় নি। ফলে মামলার ভবিষ্যাত ও ন্যায় বিচার নিয়ে নিয়ে তারা শংকিত। নিহত শফিক ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগান পাড়ার আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার ওরফে পটলা ডাক্তারের ছেলে। পরিবারের অভিযোগ পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ ও মার্কেট ভাড়া নিয়ে গোলযোগের জের ধরে এজাহার নামীয় আসামী ও বিমাতা ভাইয়েরা যৌথ পরিকল্পনায় শফিককে হত্যা করতে পারে। বাদীর অভিযোগ হামদহ বাসষ্ট্যান্ডের মার্কেট ভাড়া ও জমিজাতি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আসামী রফিকুল সন্ত্রাসী দিয়ে তার ভাইকে মারধর করে। রফিকুল সাড়ে ১১ লাখ টাকায় একটি মার্কেট নেয়। কিন্তু সে ৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা দিয়ে বাকী টাকা না দিয়ে টাল বাহানা করতে থাকে। পাওয়ানা টাকা চাওয়ার কারণে রফিকুল ক্ষিপ্ত হয়ে শফিকুলকে বেদম মরপটি করে। এ সব কথা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হলেও আসামীকে রিমান্ডে নিয়ে কোন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। ফলে অন্যান্য আসামীরাও সিআইডি বা পুলিশের নজরদারীর বাইরে রয়েছে বলে মনে করেন মাহবুবা জামান খালেদা। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা রিয়াজ জানান, বাদী বা নিহতর স্ত্রী আমাদের কোন তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে না। তারপরও বলবো আমরা অনেক দুর এগিয়েছি। মোবাইল ট্রাকিংসহ অন্যান্য পদ্ধতি অনুসরণ করে হত্যার মোটভি ও ক্লু উদ্ধারের চেষ্টা করছি।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *