সমুদ্র অর্থনীতি দেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা: স্পিকার

সমুদ্র অর্থনীতি দেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা: স্পিকার

ডেস্কঃ সমুদ্র অর্থনীতি নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে হাজির হয়েছে মন্তব্য করে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান ও ভবিষ্যতের নাগরিকদের জন্য এ সম্পদ ব্যবহার করতে হবে। একই সঙ্গে এর টেকসই ব্যবস্থাপনায় মনোযোগী হতে হবে।বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে নিজ কার্যালয়ে ঢাকা সফরত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ জাভেদ জারিফের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন স্পিকার।ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় শুরু হওয়া সমুদ্র অর্থনীতিবিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছেন।সাক্ষাৎকালে সমুদ্র অর্থনীতির টেকসই ব্যবহার, রোহিঙ্গা প্রত‌্যাবাসন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রসার প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা করেন স্পিকার ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইরানের সহযোগিতার প্রত্যাশা ব‌্যক্ত করেন স্পিকার।ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, সোনালী আঁশ পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যের অংশ। পাট পরিবেশবান্ধবও বটে। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পলিথিনের পরিবর্তে পাটপণ্যের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।বাংলাদেশ থেকে পাটজাতপণ্য আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ ও ইরান ইসলামী দেশগুলোর পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (পিইউআইসি) সদস্য। সেক্ষেত্রে মুসলিম উম্মাহর উন্নয়নের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করা সম্ভব।এ সময় তিনি সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ-ইরান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর জোর দেন।ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রের বিশাল সম্পদকে কাজে লাগিয়ে এ দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়ার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।তিনি বলেন, ওষুধ ও তথ্য প্রযুক্তি, বিশেষ করে সফটওয়‌্যার খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ইরানের বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা হবে।সাক্ষাৎকালে ইরানের প্রতিনিধিদলের সদস্যগণ ও বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সুত্রঃ মানবকণ্ঠ

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *