হরিণাকুন্ডুর ভাতুড়িয়ায় পুলিশের গুলিতে নিহত আলতামতির সন্তানদের কেও দেখে না, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদয় দৃষ্টি কামনা

হরিণাকুন্ডুর ভাতুড়িয়ায় পুলিশের গুলিতে নিহত আলতামতির সন্তানদের কেও দেখে না, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদয় দৃষ্টি কামনা

ঝিনাইদহঃ
রেহেনা আক্তার আলতামতি। মৃত্যুর আগ মুহুর্ত ছিলেন সদা হাস্য চঞ্চল এক গৃহবধু। গুলিতে নিজের বুক ঝাজরা করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছিলেন তিনি। মৃত্যুর ২৩ বছর পার হচ্ছে। কিন্তু এখনো তার পরিবার বিচার পায়নি। এতিম সন্তান রিপন ও শিপনকে কেও পুর্নবাসিত করেনি। দুঃখ কষ্টের মধ্যে চলছে তাদের সংসার। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার ভাতুড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৯৯৬ সালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আলতামতি। তিনি ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান বিশ্বাসের মেয়ে। পরিবারটিকে একবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুদান হিসাবে এক লাখ টাকা দেন। দীর্ঘ দিন পার হয়ে গেলেও আর কেউ খোঁজ খবর নেয়নি। ইতি মধ্যে দীর্ঘ ২৩ বছর পার হয়ে গেছে। আলতামতির দুই সন্তান অনেক বড়। দুই সন্তান এখন পরের জমি বর্গা নিয়ে বা পরের দোকানে কাজ করে সংসার চালায়। আলতামতির মৃত্যুর সময় বড় ছেলে রিপনের বয়স ছিল ৪ বছর আর ছোট ছেলে শিপনের বয়স ৩ মাস। রিপনের বয়স এখন ২৭ বছর । কিন্তু মেলেনি কোন সরকারী চাকরী বা সহযোগীতা আর ২৩ বছর বয়সী শিপন আলী এইচএসসি পাশ করার পর অর্থাভাবে লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি এখন পরের দোকানে কাজ করে সংসার চালায়। আলতামতির বড় ছেলে রিপন জানান, তার মা মারা যাওয়ার পরে ২/৩ বছর যাবৎ হরিণাকুন্ডুু উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মশিউর রহমান জোয়াদ্দার নিজস্ব উদ্যোগে আমার মার মৃত্যু বার্ষিকী পালন করতেন। এখন আর কেউ পালন করেন না। তিনি আরো জানান, মায়ের মৃত্যু জনিত কারনে আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েছি আমরা। কিন্তু সরকারি কোন সুযোগ সুবিধা পায়নি। আলতামতির স্বজন ও সন্তানরা সরকারী সহায়তা পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদয় দৃষ্টি কামনা করেছেন ।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *