গাইবান্ধায় চরাঞ্চলে টাট্টু ঘোড়ার গাড়ী

গাইবান্ধায় চরাঞ্চলে টাট্টু ঘোড়ার গাড়ী

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা ঃ তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদী বেষ্টিত চরাঞ্চলের গ্রামগুলোতে শুকনো মৌসুমে নদ নদীর পানি শুন্যতায় বিশাল এলাকা জুড়ে থাকে ধু-ধু বালুর চর। এ সময় জেলার নদী বেষ্টিত গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা, ফুলছড়ি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১২০টি চরাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষদের যাতায়াত ও কৃষি পণ্যসহ প্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। চরাঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ে এ অঞ্চলে একটি কথা প্রচলিত আছে, তা হলো ‘চরে যাতায়াতে পাও, না হয় নাও’। অর্থাৎ শুকনো মৌসুমে পায়ে হাটা আর বর্ষায় নৌকা। এছাড়া কোন বিকল্প নেই। কিন্তু এখন অবস্থা ভিন্ন। শুকনো মৌসুমে যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘবে ব্যবহৃত হচ্ছে ‘টাট্টু ঘোড়ার গাড়ী’। এক ঘোড়া দিয়ে ছোট ছোট মোটরের টায়ারের চাকায় চলে এসব গাড়ী। চরের বালুর উপর দিয়ে ওই গাড়ীগুলো দিব্যি চলতে পারে। প্রতিটি গাড়ীতে অনায়সে ১৬ থেকে ২০ মণ কৃষি পণ্য পরিবহন করা যায়। এছাড়া চালকসহ ৫ থেকে ৬ জন যাত্রী বালু চর পেরিয়ে তাদের গন্তব্যে পৌঁছতে পারে। বালু চর ছাড়াও এসব ‘টাট্টু ঘোড়ার গাড়ীতে’ মেইন ল্যান্ডে এবং উপজেলা পর্যায়ের সড়কেও মালামাল পরিবহণ করা হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে একটা ঘোড়ায় টানা গাড়ীতে পাঁকা সড়কে ৩০ মণ মালামাল টানা সম্ভব বলেও জানান ঘোড়ার গাড়ীর চালকরা। এতে পরিবহন খরচও কম। ফজলিপুরের মিলন মিয়া বলেন,চরে টাট্রু ঘোড়া এবং মোটর সাইলেই ভরসা।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *